• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
‘৮ কোটি মিশরীয় থাকতে ভারতীয় নারীকে বিয়ে করলোকেন’ নির্বাচনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে বিশ্বকে নতুন সংকটে ফেলতে পারেন যশোরে ১০২ বছর বয়সে আব্দুল গনি ফকিরের ইন্তেকাল শার্শার বাগআঁচড়ায় তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, একটিতে তালা, অন্যটিকে লাখ টাকা জরিমানা চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের নিন্দা ও উদ্বেগ জেইউজের যশোরে শামীম শেখের মৃত্যুতে তৃণমূল জাগপার শোক প্রকাশ যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোর পূর্বশত্রুতার জেরে যুবককে আটকে রেখে পিটিয়ে জখম

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

Reporter Name / ১৭১ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

আহবান ডেস্ক :

 উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি কোনো কারণ দেখছেন না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।

আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তার দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা (ভারত) তাদের কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের সদস্যদের যেকোনো সময় ফিরে যেতে বলতে পারেন।

ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাহারের পেছনে কোনো শঙ্কা বা সংকেত আছে কিনা, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, শঙ্কা নেই। আর সংকেত যে কী, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

উপদেষ্টা পুনরায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যা ভারতীয় কূটনীতিক বা তাদের পরিবারের জন্য শঙ্কার ইঙ্গিত দেয়। আশঙ্কা হয়তো তাদের মনে আছে কিংবা তারা কোনো মেসেজ (বার্তা) দিতে চান কি না, সেটা স্পষ্ট নয়। তবে আমি আসলে এটার মধ্যে কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

উপদেষ্টা বলেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা-উদ্বেগের বিষয়ে সরকারকে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তার কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি অন্য কোনো দেশের সহায়তায় কোনো শিল্প বা কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা হবে নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। অন্যরা কী ভাবছে, তা কোনো বিষয় নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd