
আহ্বান নিউজ:
সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে আজকের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে। সরকারকে আমরা সেইটুকু সময় দিতে চাই। আমরা সংসদে বসেই গণ ভোটের গণরায় ও জুলাই হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্নসহ ৭ দফা দাবির সমাধান করতে চাই। কিন্তু তা নাহলে আবারও দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে গণ বিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকার পতনের একদফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না। শনিবার সন্ধ্যায় লংমার্চ পূর্বক যশোরের মুড়লী মোড়ের পথসভায় জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান। এই পথ সভায় জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার, হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি,এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সাঈদ মোস্তাফিজ, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, এলডিপির বিল্লাল হোসেন নিয়াজী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চান, মুফতি শরাফত হোসেন,
নের্তৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
প্রায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এই পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন এমপি ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, এমপি মাওলানা মোক্তার আলী, এমপি মাওলানা আজিজুর রহমান, এমপি এ্যাড. এনামুল হক, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম,জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ আবু জাফর,চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, এনসিপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সালমা আক্তার আশাসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
লংমার্চের এই পথ সভা শেষ পর্যন্ত জনসভায় রুপান্তরিত হয়।
যশোরের পথসভা শেষে জামায়াতে আমিরের নেতৃতাবে লংমার্চের গাড়ীবহর শহরের মণিহার, বারান্দীপাড়া, শেখহাটি হাইকোর্ট মোড়, নতুন উপশহর খাজুরা বাস স্ট্যান্ড, পালবাড়ি, চুড়ামনকাটি,সাতমাইল হয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা হয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় রাস্ৎর দুই ধারে শত শত নারী পুরুষ দাঁড়িয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানান।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার দিকে লংমার্চের গাড়ীবহর শিল্পশহর নওয়াপাড়ায় পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মী আমিরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্দকে স্বাগত জানান। এখানে এক সংক্ষিপ্ত পথ সভায় আমিরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান বক্তৃতা করেন। পরে সন্ধ্যা ৬ টায় লংমার্চের গাড়ীবহর যশোর শহরের মুড়লী মোড়ে লংমার্চের ১১ দলীয় জোটের পথসভার স্থলে পৌঁছায়।