• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

৪ দামস্তর, ১২ দাম: সিগারেটে ব্র্যান্ড বদলের সুযোগ ব্যাপক: প্রজ্ঞা’র জরিপ

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :

সরকার নির্ধারিত চারটি দামস্তরের আড়ালে মোট ১২টি ভিন্ন ভিন্ন দামে ৫৩টি সিগারেট ব্র্যান্ড বাজারজাত করছে কোম্পানিগুলো, যা ভোক্তার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ব্র্যান্ড পরিবর্তনের ব্যাপক সুযোগ তৈরি করেছে। কেবল নিম্নস্তরেই ৮টি ভিন্ন দামের সিগারেট পাওয়া গেছে। এই স্তরের সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ডের দাম ৯০ টাকা, যা মধ্যমস্তরের (৯২ টাকা) দামের কাছাকাছি। দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরের ৮০ জন্য খুচরা বিক্রেতার মধ্যে পরিচালিত একটি র‍্যাপিড সার্ভের মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে। বেসরকারি গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ জরিপটি পরিচালনা করে।

তামাকবিরোধীদের দীর্ঘদিনের দাবি সিগারেটের স্তরসংখ্যা পর্যায়ক্রমে ৪টি থেকে কমিয়ে ১টিতে নিয়ে আসা যাতে দাম বাড়লে ভোক্তা কমদামি বা সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোন ব্র্যান্ড বেছে নেয়ার সুযোগ না পায়। বৈশ্বিক বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, একক মূল্যস্তরে দাম ও করবৃদ্ধির কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় বিশেষ করে তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ সিগারেট ছাড়তে উত্সাহিত হয় এবং নতুন করে সিগারেট ধরতে নিরুত্সাহিত হয়। তবে বর্তমানে ১২টি পৃথক দামে সিগারেট কেনার সুযোগ থাকায় কর ও দাম বৃদ্ধি সিগারেটের ব্যবহার হ্রাসে তেমন কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না। ক্রটিপূর্ণ সিগারেট করকাঠামো এজন্য দায়ী।

জরিপে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সরকার প্রতিটি মূল্যস্তরের সাথে ‘তদূর্ধ্ব’ শব্দটি ব্যবহার করে কার্যত মূল্য সীমা বা প্রাইস রেঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করেছে সিগারেট কোম্পানিগুলোকে। যেমন, নিম্নস্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে এটি ৬৫ ও তদূর্ধ্ব এবং মধ্যমস্তরের ক্ষেত্রে ৯২ ও তদূর্ধ্ব। অর্থাৎ কোম্পানি শুধু নিম্নস্তরেই ৬৫ টাকা থেকে শুরু করে ৯১ টাকা পর্যন্ত যেকোন মূল্যে (প্রাইস পয়েন্ট) সিগারেট বাজারজাত করার সুযোগ পাচ্ছে। এভাবে প্রিমিয়াম স্তর পর্যন্ত অসংখ্য প্রাইস-পয়েন্টে ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ড বাজারজাতকরণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

জরিপের সুপারিশে বলা হয় মূল্যস্তরগুলোর সাথে ‘তদূর্ধ্ব’ লেখা বাদ দিয়ে প্রতিটি স্তরে একটি এককমূল্য নির্ধারণ এবং পর্যায়ক্রমে স্তরসংখ্যা একটিতে নামিয়ে আনা হলে, কর ও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সঠিকভাবে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd