• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

আহ্বান নিউজ:
দীর্ঘ পাঁচ বছর দুই মাস অপেক্ষার পর ন্যানো ইউরিয়া উদ্ভাবনের পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ন্যানোটেকনোলজি গবেষক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস তাঁর উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমোদন করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্ভাবন দেশের কৃষিতে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান জানান, ২০২১ সালে ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর অবশেষে এর অনুমোদন পাওয়া গেল। পেটেন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অধ্যাপক জাভেদ বলেন, দেশের মাটি, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থকে সামনে রেখেই তাঁদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ন্যানো ইউরিয়া কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার দক্ষতা বাড়ানো, অপচয় কমানো, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে পরিবেশের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়, তা কমাতেও প্রযুক্তিটি ভূমিকা রাখতে পারে।
যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এ অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খানের দীর্ঘদিনের সাধনা ও গবেষণার ফসল ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট প্রাপ্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারসহ সমগ্র জাতির জন্য গৌরবের বিষয়। এ উদ্ভাবন দেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্রযুক্তিটি কার্যকরভাবে কাজে লাগানো গেলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ইউরিয়া সার আমদানির ওপর নির্ভরতা হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি এ সাফল্যের জন্য অধ্যাপক জাভেদকে অভিনন্দন জানান।
বাংলাদেশে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণার বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান। ২০১৩ সাল থেকে তিনি যবিপ্রবিতে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ন্যানো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড মেটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (ন্যাম) ল্যাবে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা করা হয়। ২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন।
সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, পেটেন্ট অনুমোদনের ফলে ন্যানো ইউরিয়ার আরও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের আগে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা যাচাই এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন।
উদ্ভাবক অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান বলেন, ন্যানো ইউরিয়া একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ।দেশ ও জাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করে যাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd