
আহ্বান নিউজ:
যশোরে মাদক সেবন ও ব্যবসার অভিযোগে আটক এক ব্যক্তির ডোপ টেস্ট করাতে ৯২০ টাকা ব্যক্তিগতভাবে খরচ করেছেন বলে জানিয়েছেন তালবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস হোসেন। এ ঘটনায় মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ বহন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে যশোর সদর উপজেলার গোপালপুর এলাকা থেকে শাহিদুল রহমান শান্ত (২৬) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করে তালবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। তিনি উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে।
ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইলিয়াস হোসেন জানান, শান্তর বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও ব্যবসার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আটকের পর ডোপ টেস্টের জন্য তাঁকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ৯২০ টাকা তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করেন বলে জানান।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হাবিবা সিদ্দিকী ফোয়ারা বলেন, সরকার থেকে ডোপ টেস্টের প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ না থাকায় বিনা মূল্যে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক লিখিত নির্দেশ দিলে বিনা মূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা হতে পারে।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য পুলিশের নিজস্ব কিট রয়েছে। প্রথমে ওই কিট দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। ফল পজিটিভ হলে সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করানো হয়। এ ক্ষেত্রে যে খরচ হয়, তা পুলিশ সুপার নিজে বহন করেন বলে তিনি জানান।