• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

এমন তাপমাত্রা সাধারণত এপ্রিল বা মে মাসে থাকে

Reporter Name / ১৯৬ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কখনোবা সেটা ৩৫ ডিগ্রি হচ্ছে। শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, দেশের অন্যান্য জায়গায়ও মোটামুটি একই রকম তাপমাত্রা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিভাষায়, তাপপ্রবাহ তখনই বলা যায়, যখন তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরোয়। এমন তাপমাত্রা সাধারণত এপ্রিল বা মে মাসে থাকে। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে এসে অপেক্ষাকৃত কম তাপমাত্রার মধ্যে এত গরম অনুভূত হচ্ছে কেন? আর আজ শুক্রবার যে প্রচণ্ড গরম পড়েছে, সেটাই–বা থাকবে কয় দিন? আজ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব প্রশ্নের উত্তর।

গত আগস্টের শেষ ও চলতি মাসের শুরু থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সিলেটে, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীতে ওই দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পর থেকে তাপমাত্রা কমেছে, সাগরের লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে, কিন্তু গরমের অনুভূতি কমেনি। এমন কেন হচ্ছে?

এ প্রশ্নের উত্তরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত এপ্রিল ও মে মাসে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকলেও তখন বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ থাকে কম। প্রচণ্ড গরমে মানুষ তখনো অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, কিন্তু এতটা ঘাম ও হাঁসফাঁস অবস্থা হয় না, এখন যতটা হচ্ছে। মূল কারণটাই আর্দ্রতার আধিক্য।’

আজ সকালে রাজধানীতে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ। এ সময়টায় এমনই থাকে।

আর্দ্রতার পরিমাণের পাশাপাশি বৃষ্টি কম হওয়া গরমের আরেকটি কারণ। গত প্রায় তিন দিন বৃষ্টি অনেকটাই কমে এসেছে। এই ভাদ্র মাসে হঠাৎ বৃষ্টি হয়। গতকাল বৃহস্পতিবারও রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তাতে গরম কমেনি।

গত আগস্ট মাসে দেশে মোটামুটি স্বাভাবিক বৃষ্টিই হয়েছে। কিন্তু এ মাসের শুরু থেকেই বৃষ্টি কম। যদিও আবহাওয়া অফিস বলেছে, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয়েছে তবে আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, বৃষ্টি এ মাসে স্বাভাবিক না–ও হতে পারে।

এবার যে লঘুচাপ হলো এর কোনো প্রভাব তো পড়েইনি, বাংলাদেশে বরং গরম বেড়েছে। আবার মৌসুমি বায়ুও কম সক্রিয়—এ দুইয়ের প্রভাবেও বৃষ্টি কমেছে অনেকটাই।

আবহাওয়া অফিস প্রতিদিন দেশের ৫১টি স্টেশনের আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলে ধরে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এর মধ্যে ২৫টি স্টেশনে কোনো বৃষ্টিই হয়নি। গতকাল বৃষ্টি হয় বান্দরবানে, তা–ও মাত্র ১৬ মিলিমিটার। রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের বেশির ভাগ স্থানই ছিল বৃষ্টিহীন।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ ও আরও অন্তত দুই দিন তেমন বেশি পরিমাণ বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। গরমও এমন অবস্থায় থাকতে পারে। এরপর বৃষ্টি হতে পারে কিছুটা।

আজ সকালে দেওয়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং ঢাকাসহ বাকি বিভাগগুলোতে দু–এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd