
আহবান নিউজ :
যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর উপজেলা মোড়ে এক রাতে তিনটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় নগদ অর্থের সন্ধানে দোকানগুলোর ক্যাশ ড্রয়ার ভাঙচুর ও মালামাল তছনছ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা মোড়ের কনক এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন। তিনি জানান,এর আগেও তার মোবাইল ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ ব্যবসার দোকানে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময়ে চোরচক্র নগদ অর্থ ও দোকানের মালামাল নিয়ে গেছে।
ফারুক হোসেনের দাবি, বুধবার গভীর রাতে চোরেরা তার দোকানের পেছনের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। প্রবেশের আগে দোকানের সিসিটিভির মূল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তারা। পরে দোকানের তিনটি ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙে নগদ টাকার খোঁজে দোকানের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তছনছ করে।
একই রাতে পাশের একটি হোটেলেও চুরি হয়। সেখানে রাখা ফ্রিজের রান্না করা খাবার ও কোমল পানীয় খাওয়ার পাশাপাশি ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙে নগদ অর্থের সন্ধান করা হয়। এছাড়া অপর একটি চায়ের দোকানের তালা ভেঙে কিছু সুপারি ও বিস্কুট নিয়ে যায় চোরেরা।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন বলেন,“চোরদের মূল লক্ষ্য ছিল নগদ টাকা। এ কারণে তারা ক্যাশ ড্রয়ার ও কাগজপত্র এলোমেলো করে শুধু টাকার খোঁজ করেছে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান,এলাকায় চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের একটি চক্র এসব চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় এনে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন চুরির ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ঘটনা জানা নেই তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।