• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

যশোরে সাবেক প্রেমিকের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এক তরুণীর

Reporter Name / ৫৮ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

আহবান নিউজ :

যশোরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে এক তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক প্রেমিক এবং তার এক সহযোগীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারী সোনিয়া আক্তার দিয়া (২৪) যশোর অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার ২২শে জুন যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শংকরপুর চোপদারপাড়া এলাকার শেখ এহসান আহমেদ ফয়সাল (২৫) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় তিনি ২০২৫ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, ওই মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ফয়সাল তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে আপস-মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে মারধর এবং জোরপূর্বক বিষপান করিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায়ও কোতয়ালী মডেল থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ফয়সাল তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর অভয়নগর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফয়সাল এবং তার সহযোগী সাজু পুনরায় তাকে ব্ল্যাকমেইল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অর্থ দাবি করতে থাকেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৭ জুন রাতে যশোর নিউমার্কেট এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গেলে ফয়সাল তাকে মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন হাজার টাকা আদায় করে নেয়। এছাড়া বিকাশের মাধ্যমেও বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, অভিযুক্তরা নিয়মিত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd