• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর অভয়নগরে মেম্বারকে হত্যাচেষ্টা: তিন আসামির কারাদণ্ড,খালাস ৪ যশোরের আসিফ সুইটসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ মিছিল যশোর-৪ আসনের এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের উদ্যোগে সমাধান যশোরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ যশোর বোর্ডে এইচএসসির চার বিষয়ের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২ হাজার ৪৪৫, বহিষ্কার ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে ২১ দিনের ছুটি যশোরে বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, মহাসড়ক অবরোধে বিক্ষোভ; একজন পুলিশ হেফাজতে মাদক ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় ঘরজামাইকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

যশোর নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে ইয়াবাসহ আটক দুই মাদক কারবারিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

আহবান নিউজ :
যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়িকে ঘিরে উঠেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক দুই যুবককে কয়েক ঘণ্টা পর রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নানা আলোচনা-সমালোচনা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মে দুপুর প্রায় ২টার দিকে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির অদূরে “সরকার ফুড” নামের একটি বেকারির স্টাফ রুমে ইয়াবা সেবনের সময় অভিযান চালান ফাঁড়ির টুআইসি (এএসআই) বিশ্বজিৎ ও কনস্টেবল আনারুল ইসলাম। এ সময় সামিউল খান (১৮) ও আকিজুল ইসলাম (১৮) নামের দুই যুবককে ইয়াবাসহ আটক করে ফাঁড়িতে নেওয়া হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য,আটকের পর পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছিলেন যে,তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হবে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই দৃশ্যপট বদলে যায়। অভিযোগ ওঠে, ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আটক সামিউল রূপদিয়া খানপাড়ার বাচ্চু খানের ছেলে এবং আকিজুল হাটবিলা গ্রামের সেকেন্দার হাওলাদারের ছেলে। এলাকাবাসীর দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদকসেবী ও কারবারি হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, টুআইসি বিশ্বজিৎ ক্যাম্পের পাশের একটি নির্জন এলাকায় (এসপির ঘের) ভাড়া বাসায় অবস্থান করেন এবং সেখানে প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তির আড্ডা বসে। এ কারণেই চিহ্নিত মাদককারবারিদের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে উঠেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বেকারি মালিক একরামুল সরদার মুঠোফোনে বলেন, “ঘটনার কথা শুনেছি। তবে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না।”
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মাসুম খান বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি, খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই কবির হোসেন মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া এএসআই বিশ্বজিৎ ও কনস্টেবল আনারুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd