• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

সম্পর্কের টানাপোড়েনে গোপন ছবি ছড়ানোর অভিযোগ, যশোরে দুই তরুণীর আদালতের দ্বারস্থ

Reporter Name / ৮৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

আহবান নিউজ :

ভালোবাসা থেকে সম্পর্ক, আর সেই সম্পর্কের ভাঙনে ব্যক্তিগত গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে যশোরে পৃথক দুটি ঘটনায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন দুই তরুণী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রথম ঘটনায়, যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার কাটাখালি রূপনগর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুর রহমান জীমের (২৬) বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে আদালতে নালিশি অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য মণিরামপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়,২০২৪ সালের ২২এপ্রিল তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনের শুরুটা ভালোই কাটলেও কিছুদিন পর পারিবারিক বিরোধ ও সম্পর্কের অবনতির কারণে আলাদা বসবাস শুরু করেন তারা। অভিযোগে বলা হয়, একসঙ্গে থাকার সময় কৌশলে স্ত্রীর নগ্ন ও অর্ধনগ্ন ছবি মোবাইলে ধারণ করে রাখেন জীম। পরবর্তীতে একটি ফেসবুক পেজ খুলে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, গত ৪ মে ফোন করে তাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় না রাখলে আরও ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ করা হবে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও ম্যাসেঞ্জারেও আপত্তিকর ছবি পাঠানো হয়। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
এদিকে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে গোপন ছবি ধারণ ও টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে ঝিকরগাছার হাড়িয়া দেয়াড়া গ্রামের নিয়াজ মাহমুদ মাহিনের (২৯) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দিয়েছেন এক তরুণী (২২)। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহমেদ ইমন অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়,ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর মাহিনের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় ভিডিও কলে কথা বলার একপর্যায়ে গোপনে তার অশ্লীল ছবি ধারণ করে রাখেন মাহিন। পরে গত ৯ মে রাতে ফোন করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। টাকা না দিলে গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বাড়ির সামনে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ছবি মুছে ফেলার অনুরোধ করলেও টাকা ছাড়া তা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে চলে যান মাহিন। পরে বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন ওই তরুণী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd