আহবান প্রতিবেদক :
৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে এ ভোট গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন শুরুর আগমুহূর্তে ক্যাম্পাসে চলছে প্রস্তুতি। সকাল ৮টার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, আবাসিক হলগুলোতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন এলাকায় এপিবিএনের সদস্য ও পুলিশ সদস্যরা জড়ো হয়েছেন। তাঁদের ক্যাম্পাসের কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় দায়িত্ব পালনের জন্য ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই। অন্য ফটকের তুলনায় গেরুয়া ফটক দিয়ে বাইরের লোকজন ঢোকার চেষ্টা করবেন। এ জন্য এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বেশি রাখা হয়েছে।
১৯৯২ সালে সর্বশেষ নবম জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩টি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ১১টি ও ছাত্রীদের ১০টিসহ মোট ২১টি আবাসিক হলের ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি ভোটকেন্দ্রে ২১ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং কর্মকর্তা ও ৬৭ জন সহাকারী পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফটকসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অন্তত এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়ের রাখা হবে। তবে তাঁদের অধিকাংশই ক্যাম্পাসের বাইরের দিকে অবস্থান করবেন। ভোটকেন্দ্রগুলোয় আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রায় ৮০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এসব সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে কেন্দ্রের পরিবেশ মনিটরিং করা হবে। জেষ্ঠ্য শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং টিম, প্রক্টরিয়াল বডি ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পুরো ক্যাম্পাসে দায়িত্ব পালন করবেন। দুজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। জাকসুর জন্য ৩ পাতা এবং দুটি হলের জন্য ২ পাতা এবং অন্য হলগুলোর জন্য ১ পাতার ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে।
সূত্র :প্রথম আলো