• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

প্রয়াত সাংবাদিক বিএম মাহাবুবের পরিবারের দুর্ভোগ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ বৃদ্ধা মা

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

আহ্বান নিউজ:
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া বাজারের আশির দশকের প্রথিতযশা সাংবাদিক মরহুম বিএম মাহাবুবের পরিবার প্রতিবেশীর গোয়ালঘরের বর্জ্য ও দুর্গন্ধে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রয়াত সাংবাদিকের ৮০ বছর বয়সী মা হামিদা বেগম।
হামিদা বেগমের অভিযোগ, বসুন্দিয়া বাজারসংলগ্ন চরপাড়া গ্রামের প্রতিবেশী মফিজের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গোবর ও গরুর মূত্রের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে তাঁদের বাড়িতে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বারবার বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মরহুম সাংবাদিক বিএম মাহাবুবের বাড়ির সামনের পানি নিষ্কাশনের ছোট ড্রেনে চার ইঞ্চি পাইপের মাধ্যমে প্রতিবেশী মফিজের গোয়ালঘরের বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় পরিবারটি ভোগান্তিতে পড়েছে।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার না পেয়ে হামিদা বেগম যশোর প্রেসক্লাবের নেতাদের কাছে অভিযোগ জানান। পরে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম বসুন্দিয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ বাবুল আখতারকে সরেজমিনে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করেন।
সৈয়দ বাবুল আখতার জানান, তিনি সরেজমিনে গিয়ে মফিজকে বাড়িতে পাননি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের অনুরোধ জানান। তবে মফিজ তাঁকে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁর আর কিছু করার নেই। সাধ্য অনুযায়ী অনেক টাকা খরচ করেছেন, এর বেশি কিছু করতে পারবেন না। এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে জানান সৈয়দ বাবুল আখতার।
এ অবস্থায় ভুক্তভোগী পরিবারটি বাড়িতে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যশোরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd