• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

যশোরে তিন বাড়িতে চুরি

Reporter Name / ২১ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

আহ্বান নিউজ:
যশোরে একজন কলেজশিক্ষকসহ তিন ব্যক্তির বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দুর্বৃত্তরা মোট ২১ ভরি সোনার অলংকার, ৮ ভরি রূপার অলংকার ও ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বোলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও যশোর বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষক গাজী আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর চুরির ঘটনা ঘটে। তাঁর অভিযোগ, আগের দিন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাতটার দিকে তিনি ও তাঁর ছেলে জিএম ছামি বাড়িতে তালা দিয়ে কলেজে যান। দুপুর একটার দিকে ফিরে তাঁরা দেখতে পান, বাড়ির প্রধান দরজার তালা ভাঙা।
পরে ঘরে ঢুকে তাঁরা দেখতে পান, আলমারির তালা ভাঙা। সেখান থেকে নগদ এক লাখ টাকা ও ১৪ ভরি সোনার অলংকার চুরি হয়েছে। এ ছাড়া রান্নাঘরে থাকা দা, বটি ও কোদাল ঘরের সোফার ওপর রাখা ছিল।
অন্যদিকে,সদর উপজেলার এড়েন্দা গ্রামে মদন রায় ও তাঁর ভাই মাধব রায়ের পাশাপাশি দুটি বাড়িতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে এসব চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
মদন রায়ের ছেলে হৃদয় রায়ের অভিযোগ, ওই রাতে তাঁরা খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকাল ১০টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি অসুস্থ বোধ করেন। পাশের ঘরে গিয়ে দেখেন, তাঁর বাবা-মা অচেতন অবস্থায় ঘুমিয়ে আছেন। ঘরের আলমারি খোলা এবং জিনিসপত্র তছনছ করা।
পরে আলমারি থেকে এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা, চার ভরি সোনার ও পাঁচ ভরি রূপার অলংকার চুরি যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। রান্নাঘরের জানালার গ্রিলও ভাঙা পাওয়া যায়।
এরপর পাশের বাড়িতে গিয়ে তাঁর কাকা মাধব রায় ও কাকিকেও অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। তাঁদের ঘরের সিঁড়ির দরজা ভাঙা ছিল। আলমারি খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁরা জানান, আলমারিতে তিন ভরি সোনার ও তিন ভরি রূপার অলংকার ছিল,যা চুরি হয়েছে।
এ ঘটনায় হৃদয় রায় চারজনকে সন্দেহভাজন আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন একই গ্রামের আহাদ আলী মনি (২০), কুলসুম বেগম (৪০), জিসান (২২) ও হাসিব (২২)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এস আই শেখ আশরাফুল আলম বলেন,মামলার সন্দেহভাজন আসামি আহাদ আলী মনিকে সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে চাঁচড়া মোড় এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd