
আহ্বান নিউজ:
যশোরে পৃথক ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার ও শনিবার (২ ও ৩ অক্টোবর) শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। আহতদের যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের শংকরপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সুমাইয়া (২০) নামে এক নারীকে কিলঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী হিমেলের বিরুদ্ধে। আহত সুমাইয়া কাশিমপুর ইউনিয়নের ডাকাতিয়া গ্রামের মন্টু মিয়ার মেয়ে। তাঁর স্বামী হিমেল (৩০) শংকরপুর এলাকার ফারুকের ছেলে। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন সুমাইয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে বুধবার (১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১টার দিকে শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিশ্বাসবাড়ি মোড় এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে মো. মনির হোসেন মনি (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে লোহার পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। তিনি নতুন খয়েরতলা এলাকার মৃত রশিদের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, একই এলাকার লিয়াকতের ছেলে মোহাম্মদ তুষার তাঁকে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোতোয়ালি থানার ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কথা কাটাকাটির জেরে চাকুর আঘাতে দুই যুবক আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন আজিজুল (২২) ও জয় (২৬)। তাঁরা নীলগঞ্জ শাহপাড়া এলাকার রুস্তম গাজীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, একই এলাকার মালেকের ছেলে সবুজ কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে চাকু দিয়ে তাঁদের হাত, বুক ও পেটে আঘাত করেন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। দুজনই পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভাতুড়িয়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির হামলায় আব্দুর রহিম (৩২) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। তিনি ভাতুড়িয়া গ্রামের মৃত শাজাহান বিশ্বাসের ছেলে। স্বজনদের ভাষ্য, বাড়ির সামনে একা অবস্থানকালে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথায় রক্তাক্ত জখম এবং বাম পায়ে হাড় ভাঙার মতো আঘাত লাগে। পরে তাঁর ভাগ্নে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পৃথক এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।