
শহিদ জয় :
যশোরে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নে কৃষক কার্ড প্রধান করা হয়। ফেনি জেলার ফুলগাজী উপজেলা থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আবদুল বারী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালে সংযুক্ত করা হয়। পরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম নির্বাচিত কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন। অনুষ্ঠান স্থল থেকে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন প্রেস করার সাথে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে উপকার ভোগীদের মুঠোফোনে কৃষক কার্ড ও আর্থিক সহায়তার টাকা পৌঁছে যায়। এ সময় মাঠ ভর্তি হাজার হাজার কৃষকদের আনন্দে উচ্ছ্বসিত হতে দেখা যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অ্যাড. হাজী আনিসুর রহমান মুকুল,সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক আব্দার হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আশরাফুজ্জামান মিঠু, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ।
উপকার ভোগী বানেয়ালি গ্রামের আবু তালেব বলেন, নির্বাচনের আগে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ( বর্তমান যশোর – সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ , জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী) কৃষক কার্ডের ঘোষণা দেন। এতো দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্ড পাবো কোন দিনই ভাবিনি। কাউদিয়া গ্রামের আব্দার আলী বলেন, এই টাকা দিয়ে বাড়িতে আমার স্ত্রী হাস মুরগি পালন করে সংসারে বাড়তি আয়ের পথ সৃষ্টি করতে পারবো। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক বলেন, হৈবতপুর ইউনিয়নের (৭,৮,৯ নং) ওয়ার্ডে হৈবতপুর ব্লকে ২ হাজার ৬৩৫ জন কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া ২ হাজার ৪০৪ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি কৃষককে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।