• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক শেখ আব্দুল্লাহ হুসাইনের ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাব যশোরের শোক নদীতে গোসল করতে নেমে চৌগাছায় শিশুর মৃত্যু মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও পুনরুদ্ধারের দাবিতে স্মারকলিপি ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ সাংবাদিক সুনীল ঘোষের মাতৃবিয়োগে জেইউজের শোক সাংবাদিক সুনীল ঘোষের মায়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাব যশোরের শোক যশোর বাঘারপাড়ায় ২৪টি ককটেল সদৃশ বস্তু নিষ্ক্রিয় করল এটিইউ বোম্ব ডিসপোজাল টিম যশোরে বোমা হামলা মামলায় যুবলীগ কর্মী আটক যশোর বেনাপোলে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা

যশোর জেলা পরিষদের ঐতিহ্য নষ্ট করে ‘সংস্কার’

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

  • আহবান নিউজ :
১৮৮৬ সালে স্থাপিত বৃটিশ আমলের ঐতিহাসিক যশোর জেলা পরিষদের ভবনের দরজা-জানালা ভেঙে আধুনিক সাজে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে জেলা পরিষদের ঐতিহ্য হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কক্ষে সংস্কারের নামে দক্ষিণ পাশের দুটি দরজা, উত্তর পাশের দুটি জানালা ও পাশের ওয়াশরুম ভেঙে ফেলা হয়েছে। কিন্তু এই ব্যয় কোন খাত থেকে হচ্ছে—তা নিয়ে পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
পরিষদ সূত্র জানায়, এস. এম. শাহীন উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি সিইও’র কক্ষ ব্যবহার না করে পূর্বের নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষেই বসছেন। এর মধ্যেই গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে সিইও’র কক্ষে সংস্কারের কাজ শুরু হয়।
জেলা পরিষদের অর্থ ব্যয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দরকার। কিন্তু এই সংস্কারকাজে দরপত্র আহ্বান বা পরিষদের মিটিং ছাড়াই দরজা-জানালা ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংস্কারের খরচের কোনো সঠিক হিসাব নেই।
এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “সংস্কার খাতে অর্থ রয়েছে, সেখান থেকেই ব্যয় হচ্ছে। ৩ লাখ টাকার মধ্যে দরপত্র আহ্বান ছাড়া কাজ করা যায়।”
তবে পরিষদের নাগরিক সেবা সংক্রান্ত চার্টারে সংস্কার ব্যয়ের কোনো নির্দেশনা নেই। ঐতিহাসিক স্থাপনা বিনষ্ট করে এই ধরনের কাজ নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অনেকেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd