• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী কাল বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  যশোরে ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নেবে ৩০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী যশোর চৌগাছার পৌর হাটে চাঁদাবাজি, ইজারাদারের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান বিলম্বে হতাশা, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা যশোরের দুই সহ্রাধিক কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকাদান  যশোরে কিশোর গাং এর ৫  সদস্য আটক, চাকু উদ্ধার সকল প্রকার জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে জাগপা’র তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ যশোর শহরের নীলগঞ্জে রমরমা কোচিং বাণিজ্য  যশোরের চৌগাছায় বিনামূল্যে দোস্ত এইডের টিউবওয়েল বিতরণ

যশোর সদরের ঘুরুলিয়ায় ইমনের ভেজাল সার কারখানা সিলগালা ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

  আহবান প্রতিনিধি :
যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়ায় ভেজাল দস্তা সার কারখানায় সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে কারখানা মালিক সামাউল ইসলাম ইমনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন যশোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হুমায়ন কবির, জাহিদুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য, কৃষি কর্মকর্তাগণ, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন দেন কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা।
কারখানাটি সিলগালা করে সকল মালামাল স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাউল ইসলাম ইমন দীর্ঘদিন ধরে তালবাড়িয়া দক্ষিণপাড়ায় ভেজাল মোবিল ও দস্তা সার উৎপাদন করে আসছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব কারখানার কারণে পরিবেশ ও কৃষির ক্ষতির খবর প্রকাশিত হলে কৃষি বিভাগ এ অভিযান চালায়। ইমন তার বাড়ির অদূরে সড়কের পাশে মোবিল কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। এ কারণে ধোঁয়া ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। অনেকের শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।
এছাড়া কারখানার বর্জ্য ফেলার কারণে পাশের পুকুর দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে এবং পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
তারা আরও জানান, ইমন নিয়মিত কারখানার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেন। তালবাড়িয়া, ঘুরুলিয়া ও জোত হাশিমপুর এলাকায় রয়েছে তার একাধিক গোপন কারখানা। ২০১৯ সালে র‌্যাব ও কৃষি কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তিনি নতুন জায়গায় উৎপাদন শুরু করেন।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের এসব সার মাটি ও ফসলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হলেও বিভিন্ন জেলায় তা সরবরাহ করা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থবলকে কাজে লাগিয়ে ইমন বছরের পর বছর ধরে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত বছরের আগস্টে অভিযানের পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও বর্তমানে আবার পুরো দমে কারখানা চালাচ্ছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd