• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী কাল বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  যশোরে ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নেবে ৩০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী যশোর চৌগাছার পৌর হাটে চাঁদাবাজি, ইজারাদারের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান বিলম্বে হতাশা, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা যশোরের দুই সহ্রাধিক কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকাদান  যশোরে কিশোর গাং এর ৫  সদস্য আটক, চাকু উদ্ধার সকল প্রকার জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে জাগপা’র তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ যশোর শহরের নীলগঞ্জে রমরমা কোচিং বাণিজ্য  যশোরের চৌগাছায় বিনামূল্যে দোস্ত এইডের টিউবওয়েল বিতরণ

শেখ হাসিনা সরকার বার বার দরকার’ বলা অপু বিএনপির মঞ্চে! সমালোচনার 

Reporter Name / ৪২৯ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগের হয়ে একসময় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া ঢাকাই চলচ্চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস বিএনপির মঞ্চে বক্তব্য দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি স্থানীয় নেতা রিপন হোসেনের পক্ষে সমর্থন চান।  জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত শোডাউন, ভোজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন অপু বিশ্বাস ও অভিনেতা নিরব হোসেন। খোকসা পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন হোসেনের আমন্ত্রণে তারা এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিএনপির সমাবেশে কালচারাল ফ্যাসিস্ট অপু বিশ্বাসের অংশগ্রহণের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। আওয়ামী দোসর অপু বিশ্বাস কিভাবে বিএনপির সমাবেশে যোগ দেয়-সেই প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিবার্ষিকীর আয়োজক বিএনপি নেতাকর্মীদের বহিষ্কার দাবি জানিয়েছেন।

আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজিব নামের একজন লিখেছেন, অপু বিশ্বাসও এখন বিএনপির সমাবেশে! দুঃখজনক।এগুলো দেখলে খুব খারাপ লাগে।তারা কি আর লোক পায় নাই।অপু বিশ্বাসের মতো আওয়ামী সরকারের তেলবাজি করা এই নারীকে ডাকতে হবে।যারা তাকে ডাকছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সোহেল খান সোহেল নামে এক ব্যক্তি বলেন, অপু বিশ্বাস ও ফেরদৌস নৌকার মাঝি।তারা ভোলার লালমোহনে এসে শাওনের নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়েছে। সে এখন কিভাবে বিএনপির সমাবেশে অংশগ্রহণ করে- বিএনপির নির্যাতিত জনগণ জানতে চায়। অপু এতদিন কাজ করেছে নৌকার মাঝি হয়ে।তাহলে বিএনপির আমরা যারা নির্যাতিত, জেল, হামলা, মামলার শিকার; তাদের কোনো মূল্য নেই? আমি পুরানা পল্টন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আহত হয়েছি, নাভিতে পাথর পড়েছে, টিয়ার গ্যাসের ভেতরে পড়েছি, ভেবেছিলাম মরেই যাব, কিন্তু আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, আপনার কাছে আমাদের কি কোনো মূল্য নেই?

জোবায়ের হাসান সুমন লেখেন, আওয়ামী লীগের নমিনেশন চাওয়া অপু বিশ্বাসকে বিএনপির সমাবেশে যারা দাওয়াত করেছে তাদেরকে বহিষ্কার করা হোক।

নাজমুল হাসান বলেন, বিএনপির লোকজন অপু বিশ্বাসকে দিয়ে সমাবেশ করায়, যে অপু বিশ্বাস হাসিনারে আইডল মানতো এবং আম্মা ডাকতো।

তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিবির চৌধুরী নামে এক নেটিজেন বলেন, আওয়ামী লীগের নমিনেশন চাওয়া এবং আওয়ামী সমর্থক অপু বিশ্বাস বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অতিথি হয় কিভাবে? বিএনপির সমাবেশে কি লোকজন কমে গেছে? সেজন্যই কি চলচ্চিত্রের নায়িকা নিয়ে সমাবেশ চাঙ্গা করেছেন?যদি চলচ্চিত্রের শিল্পী নিতেই হয় তাহলে বিএনপি সমর্থক শিল্পী কি ছিল না? বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

শাকিল সরকার বলেন, বিএনপি কি নেতাকর্মীর সংকটে আছে? যদি না থাকে তাহলে আওয়ামী দোসর অপু বিশ্বাস কিভাবে সমাবেশে যায়?

আওয়ামী লীগের নমিনেশন চাওয়া অপু বিশ্বাসকে বিএনপির সমাবেশে যারা দাওয়াত করেছে, তাদেরকে বহিষ্কার করা হোক।

আলিয়া নিশাত নামে এক নারী লেখেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার’ বলা অপু বিশ্বাস এখন কুষ্টিয়ার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে।এসব আওয়ামী দালালদের দাওয়াত দিয়ে যারা প্রোগ্রামে নিয়েছে, সেসব বিএনপির হাইব্রিড নেতাকে আজীবন দল থেকে বহিষ্কার করা হোক।

সোনিয়া আক্তার নামে আরেক নারী লিখেছেন, আওয়ামী লীগ যেমন ভোটের আগে নায়িকা ভাড়া করতো প্রচারণার জন্য, বিএনপিও ঠিক সেই পথে পা বাড়াচ্ছে, তাহলে পার্থক্যটা কি?

সাইয়্যেদা সাথী লিখেছেন, বিএনপিকে ডোবাতে এ ধরনের সস্তা বিনোদন খুবই কাজে দেবে।

জুয়েল নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের প্রচারণা, মিছিল আর মিটিংয়ে ভাড়া খেটে বেড়ানো অপু বিশ্বাসই ২০২৪ সালের প্রহসনমূলক ‘ডামি মার্কা’ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইতে লাইন ধরেছিল। অথচ আজ সেই একই অপু বিশ্বাস কুষ্টিয়ায় গিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অতিথি হয়ে বক্তৃতা দেয়!এ দৃশ্য শুধু রাজনৈতিক চরিত্রহীনতার নয় বরং বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরও নগ্ন স্বাক্ষর। যেখানে এমন ভাড়াটে, দ্বিমুখী মানুষকে মঞ্চে স্থান দেওয়া হয়, সেখানে পতন অনিবার্যই মনে হয়।

নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবি করে খান তমিজুল বলেন, আমি জাতীয়বাদী দল-বিএনপির একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে এই বিষয়টা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। এখানে এই দুজনকে যারা ইনভাইট করেছে তাদেরকে বহিষ্কার করা উচিত।

ইয়াসিন আরাফাত লিখেছেন, যেই নেতা অপু বিশ্বাসকে অনুষ্ঠানে নিয়েছে, দলের প্রতি তার ভালোবাসা একদম নাই বললেই চলে।

মনিরুজ্জামান মনি লিখেছেন, কুষ্টিয়া বিএনপির এতটা অধঃপতন!একজন আওয়ামী এমপি নমিনেশন প্রত্যাশী নায়িকা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে; এটা কিভাবে সম্ভব?এর উত্তর কে দেবে- কুষ্টিয়া বিএনপি নাকি কেন্দ্রীয় বিএনপি?

তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সুজন রাজ বলেন, প্রিয় নেতা আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করুন এবং যারা তাদেরকে ইনভাইট করেছে তাদের বহিষ্কার করুন।

কাদের কাহন বলেন, অপু একজন আওয়ামী লীগের দালাল, যারা দাওয়াত দিয়েছে তারাও আওয়ামী লীগের দালাল।

 

 

 

সূত্র :যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd