• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

হিন্দু মুসলিমের ফুলের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

আহবান নিউজ :

যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের শানতালা গ্রামের হিন্দু মুসলিমের ফুলের শুভেচ্ছা ও ভালো বাসায় সিক্ত হয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছেন যশোর -৩ ( সদর) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি শানতলা থেকে প্রচারণা শুরু করেন।
সেখানে পথ সভায় স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক শ্রমিক নেতা শামসুর রহমান বলেন,আমরা এই গ্রামের হিন্দু মুসলিম একত্রে মিলে মিশে বসবাস করে আসছি। আমরা ধর্মের ভিত্তিতে কোন বিভাজন চাই না। আজকে যারা ধর্মের দেওয়াল দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। যে কোন মূল্যে আমরা তাদের তাদের প্রতিহত করবো। একাত্তরে আমি নিজে তাদের ভূমিকা দেখেছি। তাদের ভয়ে বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়েছিলাম।আমরা এমন বাংলাদেশ আর দেখতে চাই না।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার বক্তৃতায় বলেন, আমরা আগামীতে কেমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, তার প্রমাণ গেল চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেখিয়ে দিয়েছি। সারাদেশের মতো যশোরেও পাড়া মহল্লায় পাহারা বসিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী থেকে শুরু করে সকল ধর্মের মানুষের জানমাল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি ঘরের সুরক্ষা দিয়েছি। বিএনপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। বিএনপি কোন দিনই ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে মানুষের মধ্যে বিভেদ বিভাজন চায় না।
কাশিমপুর ইউনিয়নের ভেঙে পড়া রাস্তার উন্নয়নে আমি ধানের শীষে ভোট চাই। আমার পিতা তরিকুল ইসলাম এই গ্রামের মেঠোপথ থেকে শুরু করে রাস্তা ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দিরের উন্নয়নের পাশাপাশি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর এই এলাকার মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত। আমি নতুন করে এলাকায় উন্নয়ন করতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd