• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং করণীয়: বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত” শীর্ষক ওয়েবিনার আয়োজন যশোরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত যশোরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক শেখ আব্দুল্লাহ হুসাইনের ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাব যশোরের শোক নদীতে গোসল করতে নেমে চৌগাছায় শিশুর মৃত্যু মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও পুনরুদ্ধারের দাবিতে স্মারকলিপি ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ সাংবাদিক সুনীল ঘোষের মাতৃবিয়োগে জেইউজের শোক সাংবাদিক সুনীল ঘোষের মায়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাব যশোরের শোক যশোর বাঘারপাড়ায় ২৪টি ককটেল সদৃশ বস্তু নিষ্ক্রিয় করল এটিইউ বোম্ব ডিসপোজাল টিম

যশোর ভৈরবপাড় দখলমুক্ত করতে যৌথ অভিযান শুরু বসানো হচ্ছে পিলার, দেওয়া হচ্ছে কাটাতারের বেড়া

Reporter Name / ১২৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

আহবান প্রতিবেদক :
যশোর শহরের দড়াটানার ভৈরবপাড় দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে অভিযান শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে অংশ নিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।
অভিযানের সময় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সরকারি জায়গায় সীমানা নির্ধারণে পিলার বসানো হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীর পাড় ঘিরে কাটাতার দেওয়ার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,এর আগে পৌরসভার একাধিক উচ্ছেদ অভিযানে দড়াটানার অংশ পুরোপুরি দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে এবার কোনো ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
অভিযানের শুরুতে ভৈরব হোটেলের সামনের অংশসহ ব্রিজের দুই পাশের ফুটপাত ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে ভৈরব হোটেলসংলগ্ন নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, হোটেলসহ আশপাশের হাসপাতালগুলো সরকারি জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। প্রভাবশালীদের কেউ কেউ টং দোকান বসিয়ে নদীর জায়গা দখল করে রেখেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থানে সন্ধ্যার পর আড্ডা ও মাদকসেবনের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও চলে। এসব দোকানও পরবর্তীতে ভেঙে ফেলা হয়।
এ সময় দেখা যায়, বিভিন্ন হাসপাতালের পেছনের অংশে নদীর জায়গা দখল করে কেউ জেনারেটর রুম স্থাপন করেছে, কেউবা দোকান ভাড়া দিয়েছে। এসব স্থাপনা দ্রুত সরানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
পরে ভৈরব চত্বরের আশপাশের ফুটপাতের দোকান ও বিপরীত দিকে নদীর গা-ঘেঁষে গড়ে ওঠা রাজধানী ও জনি হোটেলের বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলা হয়। সরকারি জায়গায় নির্মিত জনি হোটেলের সিঁড়ি সরানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিচালিত ফরমালিনমুক্ত সবজি বিক্রির স্টলটিও ভেঙে দেওয়া হয়।
উচ্ছেদের সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়েই পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের দোকান ভেঙে ফেলেছে। এতে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা এবং পুনর্বাসনের দাবি জানান।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন,“একাধিকবার নোটিশ দেওয়ার পরও কেউ সাড়া দেয়নি। বাধ্য হয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় এটি জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথম ধাপে কাটাতার দিয়ে নদীর অংশ ঘিরে ফেলা হবে। পরবর্তীতে সেখানে গাছ লাগানো ও বিনোদনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
আগামী সপ্তাহে ভৈরব চত্বরের বিপরীত পাশের নদীর জায়গাগুলো সার্ভে করে দখলমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি সকলকে স্বেচ্ছায় নদীর জায়গা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd