• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

যশোরের ঐতিহ্যবাহী ‘মণিহার’ সিনেমা হল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত 

Reporter Name / ৭০৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আহবান প্রতিবেদক :
যশোরের ঐতিহ্যসমুহের একটি, দেশের বৃহত্তম ‘মণিহার’ সিনেমা হল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকপক্ষ। অব্যাহত লোকসানের কারণে হলটি আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এখন থেকে ৪২ বছর আগে ১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে যশোরের ঐতিহ্যবাহি ও দেশের সর্ববৃহৎ সিনেমা হল ‘মণিহার’। এটির নকশা করেছিলেন কাজী মোহাম্মদ হানিফ। ১ হাজার ৪৩০ আসন বিশিষ্ট হলটি উদ্বোধন হয় সোহেল রানা-সুচরিতা অভিনীত ও দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘জনি’ সিনেমা দিয়ে।
একসময় মণিহারের এতটাই সুখ্যাতি ছিল যে, সেখানে সিনেমা দেখার জন্য জাপান, কোরিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ইংল্যান্ডসহ আরো অনেক দেশ থেকেও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা সিনেমা দেখতে আসতেন। এই সিনেমা হলটি একসময় ঢালিউডের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। জমজমাট দর্শক নিয়ে জমজমাট ব্যবসাও করেছেন মালিকপক্ষ। কিন্তু সময় আর প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে মাত্র ৪ দশকের ব্যবধানে কমতে কমতে এখন প্রায় দর্শক শূন্য। তাই ব্যবসাও ঢের লোকসানে।
মণিহার সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আগে সিঙ্গেল স্ক্রিন ছিল। সবাই বলত ভালো পরিবেশ দিলে দর্শক হলে আসবে। এরপর মাল্টিপ্লেক্স করা হয়। কিন্তু এখন তো ভালো সিনেমাই নেই। তাহলে দর্শক হলে আসবে কেন?’ তিনি আরও বলেন, ‘মালিকপক্ষ অনেক দিন ধরে হলটি ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা করছেন। আমরা অনুরোধ করে এত দিন এনেছি। কিন্তু এখন আর কোন উপায় নেই। লোকসানের মাত্রা এতটাই বেশি যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ এটি ভেঙে ফেলবেন।’
হলটির মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠু বলেন, ‘এখন তো ভালো ছবি নেই। ছবি না থাকলে হল চালাব কিভাবে? এখন বাইরের দেশের একটি সিনেমা চালাচ্ছি, যেটা এর আগেও চারবার চালিয়েছি। আর সিনেপ্লেক্সে চালাচ্ছি সালমান শাহের ‘বিক্ষোভ’। এভাবে তো চলতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটার আয় আর ব্যয়ের তফাৎ এতটাই বেশি যে, প্রতি মাসে বড় অংকের লোকসান আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পরিকল্পনা করছি হলটি বন্ধ এবং ভেঙে সেখানে আবাসিক হোটেল করার।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd