• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

আহ্বান নিউজ:

বেনাপোল-যশোর-ঢাকা ও দর্শনা-যশোর-ঢাকা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দিয়ে এসব দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে কমিটির আহ্বায়ক কাওসার আলী ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন স্বাক্ষর করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, পদ্মা সেতু রেল প্রকল্প চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ঢাকায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বেনাপোল-যশোর-ঢাকা রুটে বিদ্যমান ট্রেনের সময়সূচির কারণে ঢাকায় দাপ্তরিক কাজ শেষ করে একই দিনে ফিরে আসা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দর্শনা, কোটচাঁদপুর ও কালীগঞ্জ এলাকার মানুষও এ রুটে পর্যাপ্ত রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংগঠনটির দাবি, সকালে ঢাকাগামী ট্রেন চালু করা হলে যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষ একই দিনে রাজধানীতে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে ফিরতে পারবেন। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় কমার পাশাপাশি রাজধানীর ওপর জনচাপ কমবে।
কমিটির ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বর্তমান ট্রেনের সময়সূচি বহাল রেখে বেনাপোল-যশোর-ঢাকা ও দর্শনা-যশোর-ঢাকা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালু, ঢাকা ও খুলনায় প্রতিদিন যাতায়াত করে অফিস করার উপযোগী সময়সূচি নির্ধারণ, আন্তঃনগর ট্রেনে সাধারণ শ্রেণির বগি সংযোজন, মালামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহনের উপযোগী বগি যুক্ত করা, বাসভাড়ার চেয়ে কম রেলভাড়া নির্ধারণ, অনলাইন নিবন্ধনের বাইরে টিকিট সংগ্রহের বিকল্প ব্যবস্থা চালু এবং প্রবীণ নাগরিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকিটপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা। এ ছাড়া দর্শনা থেকে খুলনা পর্যন্ত ডাবল রেললাইন নির্মাণের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফুল, ফল, সবজি ও মাছসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পরিবহনের উপযোগী বগি চালু হলে স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। পাশাপাশি সাশ্রয়ী ভাড়া ও সহজে টিকিট পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের রেলভ্রমণ আরও সহজ হবে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা সমাধানে দাবিগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd