• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর সিপিবি কার্যালয়ে হামলার চেষ্টাসহ মব সন্ত্রাসের নিন্দা লাল মশালের যশোরে মাদকাসক্ত আসামির ডোপ টেস্টের খরচ দেবে কে? যশোর সীমান্তে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে বদলি,  যশোর বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গভীর রাতে বোমা বিস্ফোরণ যশোরের অভয়নগরে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মনিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১০ দিনের কারাদণ্ড যশোর-বেনাপোল ও দর্শনা রুটে প্রভাতী এক্সপ্রেস চালুর দাবি ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোরে ছাত্রশক্তির লিফলেট বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেন যশোরের চিকিৎসক রাফসান জানি

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

আহ্বান নিউজ:
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে ধর্ষণ মামলায় খালাস দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৮ অক্টোবর) যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক জেলা জজ শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাফসান জানির আইনজীবী আবু মোর্তজা ছোট। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক রাফসান জানি ও মামলার বাদী তাঁর শ্যালিকা সামিয়া।
মামলা ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শুরুতে রাফসান জানি ও তাঁর শ্যালিকা সামিয়াকে ঘিরে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের ঘটনায় যশোরে আলোচনা তৈরি হয়। এ সময় সামিয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে প্রেসক্লাব যশোরে একাধিক সংবাদ সম্মেলনও হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মার্চ সামিয়াকে বাদী করে মণিরামপুর থানায় রাফসান জানির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়।
রায় ঘোষণার পর সামিয়া দাবি করেন, মণিরামপুরের একটি চক্র তাঁর শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে ব্যবহার করেছে। ওই চক্রের উদ্দেশ্য ছিল রাফসান জানির কাছ থেকে অর্থ আদায় করা। তাঁকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছিল এবং পূর্বপরিকল্পিত বক্তব্য ক্যামেরার সামনে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিভিন্ন প্রলোভন ও চাপের মুখে মিথ্যা অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে দাবি করেন সামিয়া।
রাফসান জানির আইনজীবী আবু মোর্তজা ছোট বলেন, সামিয়া দীর্ঘদিন ধরে ‘বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার’ নামের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর দাবি, একটি চক্র সামিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও ব্ল্যাকমেইল করে মনগড়া অভিযোগ করতে বাধ্য করেছিল। মামলায় এমন ব্যক্তিদেরও সাক্ষী করা হয়েছিল, যাঁরা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ছিলেন না।
আইনজীবী আরও দাবি করেন, আদালতে সামিয়া ধর্ষণের অভিযোগ সত্য নয় বলে স্বীকার করেছেন। মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে আদালত তাঁর মক্কেলকে খালাস দিয়েছেন।
এদিকে রায়ের পর ডা. রাফসান জানি দাবি করেন, তিনি পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি এবং সাংবাদিক পরিচয়ধারী কিছু ব্যক্তি তাঁর কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাফসান জানি বলেন, এ ঘটনার কারণে তাঁর ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd