
আহ্বান নিউজ:
যশোরের বাঘারপাড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় বিক্ষুদ্ধ বাঘারপাড়া বিএনপির একাংশ প্রতিবাদ ও আবার চুড়ান্ত করার দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন গত রবিবার।
দরাজহাট ইউনিয়নের হাবুল্যা বাজারের ফয়সাল জামানের সার ডিলার নিয়োগের তালিকায় রয়েছে। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় টিসিবির ডিলার ছিলেন এবং একই ব্যাক্তি দুইটা ডিলার তার পরিবার আওয়ামলীগ এবং ছাএলীগের সাথে ফয়সাল জামান জড়িত তার পিতার নাম খোকন মৌরি ।
সরকারের সার নিতিমালা অনুয়াযী কাগজ পএ সঠিক তথ্য দেয় নি !ফয়সাল জামানের ব্যাংক সলভেন্সি চেয়েছে ফয়সাল জামান দিয়েছে ব্যাংক একাউন্ট।
ফয়সাল জামান হাবুল্যা বাজারের আসাদুজ্জামের ঘর দেখায়ছে আসাদুজ্জামান ও দীর্ঘ ১৬ বছর তার নিজস্ব দোকানে সার ও কীটনাশক এবং ডিজেল সিমেন্ট এর ব্যাবসা করে আসছেন। এছাড়াও তার একই দোকানের দুইটা ট্রেড লাইসেন্স করে করে এই ব্যবসা পরিচালনা করছেন তথ্য লুকিয়ে। যেখানে তথ্য লুকিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়াও ফয়সাল জামানের দোকান ঘরের ভাড়া বা চুক্তি পত্র দাগ খতিয়ান মিল নেই।
এছাড়াও তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী এবং টিসিবির ডিলার ছিলেন বলে অভিযোগ আছে।
কৃষি অফিসার সৈয়দা নাসরিন ফয়সাল জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি এসকল ফাইল কোন প্রকার যাচাই বাঁচায় না করেই অনুমোদনের জন্য জেলায় পাঠিয়েছেন।
একারণে বিক্ষুদ্ধরা জেলা প্রশাসকের কাছে সুপারিশে অযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান, পৌর সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান মিন্টু, উপজেলা সহসভাপতি অনিচুর রহমান, রায়পুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুস সালাম সৌদি, নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শিকদার, ধলগ্রাম ইউনিয়ন সভাপতি খয়বার হোসেন মোল্লা, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক এমএ মানিক এবং বিএনপি নেতা হারুনর রশিদ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ভুপালী সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ডিসি স্যারের মিটিংয়ে ছিলাম। তবে সার ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত একটি অভিযোগপত্রের অনুলিপি আমার দপ্তরে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ডিসি স্যারের নির্দেশ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে। কাগজপত্রে অসঙ্গতি বা ত্রুটি থাকলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।