• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  যশোরের ঝিকরগাছায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধ কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা আটক এক সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে:  যশোরে যুবদলের সমাবেশে নয়ন যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন যশোরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৫১ সদস্য যবিপ্রবিতে কনিষ্ঠ শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত যবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত ৯ বছর আগে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ গ্রেপ্তার

ঋণের বোঝায় সর্বস্ব হারিয়ে গোয়াল ঘরে মা-ছেলের আশ্রয়, মানবিক সহায়তার আবেদন এলাকাবাসীর

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

আহবান নিউজ২৪ :
মানবিকতার এক হৃদয়বিদারক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে যশোর সদর উপজেলার ইছালী গ্রামের এক মা-ছেলের জীবনসংগ্রাম। ঋণের দায়ে বাড়িঘর হারিয়ে তারা এখন বাধ্য হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন একটি জরাজীর্ণ গোয়াল ঘরে। ঝড়-বৃষ্টি, শীত-গরমসহ সব প্রতিকূলতা সঙ্গী করে চলছে তাদের বেঁচে থাকার লড়াই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইছালী গ্রামের নাহিদ হোসেন নামের এক যুবক ২০২৩ সালে স্থানীয় মহাজন আব্দুল মাজেদের কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও টানা বৃষ্টিতে পুকুরের সব মাছ ভেসে যায়। এতে নাহিদ ব্যবসায়িকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েন।
এরপর নাহিদের মা অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারটি আরও প্রায় ৫ লাখ টাকা ঋণ নেয়। ওই ঋণের শর্ত ছিল প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা সুদ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান ও পরিবারের অসুস্থতার কারণে তারা সেই সুদের টাকা পরিশোধ করতে পারেননি।
সম্প্রতি মা ও বাবা দুজনেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে নাহিদ বাধ্য হয়ে আরও ১২ লাখ টাকা ঋণ নেন জমি বন্ধক রেখে। ফলে ঋণের পরিমাণ ক্রমেই বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে ঋণের চাপ সামলাতে না পেরে বসতভিটাও বিক্রি করে দিতে হয় তাদের। বর্তমানে মা-ছেলেসহ পরিবারটি প্রতিবেশীর সহানুভূতিতে একটি জরাজীর্ণ গোয়াল ঘরে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
জানা গেছে, বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে নাহিদ মোট অন্তত ২৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন,“ছেলেটা খুব ভদ্র ও পরিশ্রমী। মাকে বাঁচানোর জন্য সে সর্বস্ব হারিয়েছে। কিন্তু এখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই।”
এ অবস্থায় এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছেন, সরকারি বা বেসরকারি সহায়তার মাধ্যমে যেন এই অসহায় পরিবারটির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষরা এগিয়ে এলে হয়তো আবারও মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ ঠাঁই পেতে পারে এই মা-ছেলের পরিবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd