• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  যশোরের ঝিকরগাছায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধ কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা আটক এক সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে:  যশোরে যুবদলের সমাবেশে নয়ন যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন যশোরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৫১ সদস্য যবিপ্রবিতে কনিষ্ঠ শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত যবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত ৯ বছর আগে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ গ্রেপ্তার

স্বল্প সুদের লোনের প্রলোভন,যশোরে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা

Reporter Name / ২০৪ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

আহবান নিউজ২৪ :
স্বল্প সুদের লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মাহমুদা খাতুন নামে এক নারীর বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) রাতে যশোর সদর উপজেলার বারীনগর বানিয়ালি গ্রামের ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সোবহান মামলাটি করেন।
মামলার আসামি মাহমুদা খাতুন সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোড় এলাকার মৃত ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মাহমুদা খাতুন আগে যশোরে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সেই সময় তার সঙ্গে ভুক্তভোগীদের পরিচয় হয়। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে ‘মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড’ নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়েছেন বলে দাবি করে ঢাকায় চলে যান।
পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। লোনের বিপরীতে শতকরা দুই ভাগ হারে লভ্যাংশ দিতে হবে এবং ১০ থেকে ১২ বছর পর ঋণ পরিশোধ করতে হবে—এমন শর্তের কথা জানান তিনি। তার কথায় বিশ্বাস করে অনেকেই লোন পাওয়ার আশায় টাকা দেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত যশোর শহরের চৌরাস্তা এলাকার একটি শোরুমে বসে তিনি ৩২ জনের কাছ থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা নেন। প্রতিজনকে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় প্রত্যেকের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ব্যাংক হিসাব নম্বর এবং তিন থেকে চারটি করে ফাঁকা চেকও নেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে,টাকা নেওয়ার এক মাসের মধ্যে ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরে মাহমুদা খাতুন তা দিতে পারেননি। পরে ভুক্তভোগীরা তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং নানা অজুহাত দেন।
গত ৭ মার্চ সকালে যশোর শহরের দড়াটানা এলাকায় তাকে পেয়ে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে এবং তার ছেলে তন্ময় জামানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে শতাধিক ভুক্তভোগী থানায় এসে অভিযোগ দিলে আব্দুস সোবহান লিখিত অভিযোগ দেন। শনিবার রাতে সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপপরিদর্শক আশরাফুল আলমকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd