• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার ৩ মাদক কারবারি আটক ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে ল্যাব টেকনোলজিস্ট গ্রেপ্তার কেশবপুরে একই স্থানে দুই দফা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ৩ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৩ বোতল বিদেশি মদ জব্দ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা: যশোর-৪ আসনের এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলা-ভাঙচুরের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ যশোরে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ব্রোঞ্জ জিতে যশোরের মুখ উজ্জ্বল করল ইফাজ কবির রাদ যশোরে ৭ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর এমপি গোলাম রসুল উদ্ধার, জামায়াতের বিক্ষোভ যশোরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজাসহ ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

২৫০ গ্রাম কেঁচো থেকে স্বপ্নের খামার: সুব্রত শুভর ভার্মি কম্পোস্ট উদ্যোগ

Reporter Name / ২৩৫ Time View
Update : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

আহবান নিউজ :

মাটির উর্বরতা হ্রাস, কৃষি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্যের সংকট—এই বাস্তবতা থেকেই টেকসই কৃষির স্বপ্ন দেখেন তরুণ উদ্যোক্তা সুব্রত শুভ। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২৪ সালের ২২ জুন যাত্রা শুরু করে ‘সুব্রত শুভ ভার্মি কম্পোস্ট’।
একেবারে ছোট পরিসরে মাত্র ২৫০ গ্রাম কেঁচো দিয়ে একটি ফলের ক্যারেটে গোবর, কচুরিপানা ও কলাগাছ ব্যবহার করে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু হয়। শুরুতে কাঙ্ক্ষিত ফল না মিললেও ধারাবাহিক পরিশ্রমে নভেম্বরের মধ্যে একটি ক্যারেট বেড়ে দাঁড়ায় আটটিতে এবং পরবর্তীতে তা বিস্তৃত হয় দশটি নান্দায়। এর মধ্য দিয়েই মাঠপর্যায়ে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেন উদ্যোক্তা সুব্রত শুভ।
যশোর সদরের রামনগর ইউনিয়নের পুরাতন সতীঘাটা বাজার এলাকায় অবস্থিত এ খামারটি বর্তমানে প্রায় ৩ শতক জমির ওপর পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৬ টন এবং এখানে নিয়মিত কাজ করছেন তিনজন কর্মী।
উদ্যোক্তা সুব্রত শুভ জানান, তারা শুধু ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নন; টেকসই কৃষির লক্ষ্যে বহুমুখী উদ্যোগ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কাজ করছেন। স্থানীয় কৃষক ও ছাদবাগানিরা তাদের প্রধান লক্ষ্য বাজার। পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক অর্ডারের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ টনে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মাত্র একটি ফলের ক্যারেট ও ২৫০ গ্রাম কেঁচো দিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ আজ স্থানীয় পর্যায়ে একটি সম্ভাবনাময় কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তার সফল গল্প হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd