আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৫” বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট,
রাষ্ট্রদূত (অবঃ) জনাব এম. হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে, ৪৬, মুজিব সড়ক, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, ২য় তলায়,
বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বাংলাদেশের সৃজনশীল কূটনীতি গঠন) উদ্যোগে যশোরের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং পেশাজীবী সাথে “আগামীর পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে ” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপা’র প্রেসিডিয়াম সদস্য, খুলনা বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়ক মোঃ নিজামদ্দিন অমিত বলেন,
১৯৭২ সালে আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতির জলাঞ্জলি দিয়েছি।স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমরা দেখেছি নতজানু এবং সেবাদাসী পরাষ্টনীতি।
অমিত বলেন,
এতদিন আমাদের দেশ নামে স্বাধীন এবং সার্বভৌমত্ব ছিলো কিন্তু প্রকৃত অর্থে দেশ চলতো দিল্লির নির্দেশে। অগাস্ট মাসের ৫ তারিখের পর শেখ হাসিনা এবং গণহত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়ে হিন্দুস্তান প্রমাণ করেছে তারা আমাদের বন্ধু হওয়ার যোগ্য নয়। সীমান্তে হত্যা, ৫৪ টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা না দেওয়া, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপসহ নানাবিধ বিষয়ে এটাই প্রমাণিত ভারত সরকার আমাদের বড় শত্রু। প্রতিবেশী বদলে ফেলা সম্ভব নয়, তাই দেশের প্রকৃত স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব বিজয় রাখার জন্য আমাদের কার্যকরী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে সৌদি আরবের মতোই পাকিস্তানের সাথে সামরিক চুক্তি করতে হবে। যাতে আমাদের বিপদে পাকিস্তান আমাদের সামরিক শক্তি নিয়ে আমাদের পাশে থাকে। এখন প্রশ্ন আসতে পারে বিনিময়ে আমরা কি দিবো? বিনিময়ে আমরা পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানি বৃহৎ আকারে করবো। ভারত নির্ভরতা একদম কমিয়ে ফেলবো। ভবিষ্যত বিনিয়োগের জন্য আমাদের চমৎকার বন্ধু হতে পারে চিন সরকার। তাদের সাথে বন্ধুত্ব, এক দিকে যেমন ভারত নির্ভরতা শূন্যের কোঠায় নিয়ে যাবে একইভাবে আরেক দিকে আমাদের দেশের কার্যকরী এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে।