• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  যশোরের ঝিকরগাছায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধ কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা আটক এক সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে:  যশোরে যুবদলের সমাবেশে নয়ন যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন যশোরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৫১ সদস্য যবিপ্রবিতে কনিষ্ঠ শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত যবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত ৯ বছর আগে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ গ্রেপ্তার

যশোরে এক ব্যক্তির সাথে প্রতারণার ঘটনায় থানায় মামলা

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আহবান প্রতিবেদক :
ব্লাকমেইলিং চক্রের খপ্পড়ে পড়ে নগদ টাকা খুইয়ে তা আবার উদ্ধার করেছেন সাগর আলী (২১) নামে যশোর সেনা বাহিনীবাসে কর্মরত এক সৈনিক। এই ঘটনা কোতয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে। সাগর আলী ঠাকুরগঁাও এর বালিডাঙ্গী উপজেলার ভানোর দিঘিরপাড় এলাকার একরামুল হকের ছেলে।
আসামিরা হলো, যশোর সদর উপজেলার ভেকুটিয়া সুজলপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৫৩) ও তার ছেলে বাইতুল আমান সাগর (২৯), নজরুল ইসলামের ছেলে সোহাগ আলী (২০) এবং এড়েন্দা গ্রামের গোলাম হোসেনের মেয়ে রিনা খাতুন সোনিয়া (৩১)।
এজাহারে সাগর আলী উল্লেখ করেছেন, সোনিয়ার সাথে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ হতো। তাদের মধ্যে নিয়মিত কথা হতো। সোনিয়া নিজের বয়স ২১ বলে জানায়। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সোনিয়া ফোন করে দেখা করতে বলে। তিনি রাজি না হলে তাকে অনেক অনুরোধ করে। পরে তিনি ধর্মতলায় একটি চায়ের দোকানে দেখা করেন। সেখান থেকে মুড়লী মোড়ে বেড়াতে যান। পরে সুজলপুর গ্রামে তার এক বান্ধবীর বাড়িতে নিয়ে যায়। বিকেলে দিকে ওই বাড়িতে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে বলে। তিনি রাজি না হলে তাকে নানা ভাবে জড়িয়ে ধরে। ঘরের লাইট বন্ধ করতে চাইলে সে লাইট বন্ধ করে না। বাকি আসামিরা গোপনে মোবাইল ফোনে তা ধারন করে। এরপর তা দেখিয়ে ব্লাইকমেইলিং করে। তার কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। তিনি মানসম্মনের ভয়ে বাইরে থেকে ১১ হাজার টাকা এনে দেন। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরদিন সোনিয়া ফের ফোন করে তার কাছে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিকে না চাইলে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। টাকা না পেয়ে ওইদিন সকালে সোনিয়া সেনানিবাসে তার ইউনিটে গিয়ে অভিযোগ করেন। ইউনিটের উর্ধতন কর্মকর্তারা বিয়য়টি তদন্ত করতে সোনিয়ার বাড়িতে যান এবং তার মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেন। সেখানে বেশি কয়েকজন সরকারি চাকরিজীবিদের ছবি ও ভিডিও দেখতে পান। যাদের নানা ভাবে ট্রাফ করা হয়েছে। বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন এবং ওই বাড়ি থেকে চঁাদা স্বরুপ নেয়া ১১ হাজারের মধ্যে ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করেন। আসামিরা বিভিন্ন মানুষকে টার্গেট করে তাদের ফঁাদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd