কে পি শর্মা অলির পদত্যাগের পর নেপালের সংবিধান অনুযায়ী এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী বেছে নিতে হবে। মাঝের এই সময়টাতে নেপালে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নেপালের পোখরা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক যোগরাজ লামিচানে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী শুধু শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করবে। প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণের ভূমিকা পালন করবে না।
গবেষক বিষ্ণু রাজ বলেন, তবে বাস্তবতা হলো বর্তমানে কার্যত সেনাবাহিনীই দেশের দায়িত্বে রয়েছে। কারণ, আন্দোলকারীরা যাদের ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন, সেই শাসকগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেলকে। নেপালে পরিবর্তন আনার জন্য তাঁর ওপর আস্থার ঘাটতি রয়েছে আন্দোলনকারীদের।
বিষ্ণু রাজ বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে সেনাবাহিনীর ওপর প্রেসিডেন্টের অবস্থান। তবে তরুণ আন্দোলনকারীরা তাঁকে মেনে নিচ্ছেন না। ফলে তাঁকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তাই সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট নেপালের দায়িত্বে থাকলেও কার্যত দায়িত্ব পালন করছে সেনাবাহিনী।
সূত্র :প/আ