• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  যশোরের ঝিকরগাছায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধ কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা আটক এক সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে:  যশোরে যুবদলের সমাবেশে নয়ন যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন যশোরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৫১ সদস্য যবিপ্রবিতে কনিষ্ঠ শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত যবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত ৯ বছর আগে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ গ্রেপ্তার

যশোর জাবির ইন্টারন্যাশনালে অগ্নিসংযোগ ও ২৪ জনের মৃত্যু: আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

Reporter Name / ২২ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আহ্বান ডেস্ক:
যশোর শহরের চিত্রা মোড়ের জাবির ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হতাহতের ঘটনায় করা মামলার আসামিদের শনাক্ত করা যায়নি। ফলে বিভিন্ন সময়ে আটক সাতজনের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে এ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন।
অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন মো. আব্দুল খালেক (৬৫), মো. এনামুল হক (৫৯), আব্দুর রহমান শাওন (৩৬), অ্যাডভোকেট সৈয়দ কবির হোসেন জনি (৪১), এস এম আজাহার হোসেন স্বপন (৫২), কাজী রবিউল হোসেন ওরফে ভাইপো রবিউল (৩১) এবং মো. ইমন কাজী (২৬)।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের যশোর শহরের চিত্রা মোড় এমএম আলী রোডে ‘জাবির ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি পাঁচ তারকা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গানপাউডার ও পেট্রোল নিয়ে ওই হোটেলের মধ্যে ঢোকে। দুর্বৃত্তরা হোটেলের ক্যাশ ভল্ট ভেঙে ৯০ লাখ টাকা চুরি করে। এরপর ১০০টি ফ্রিজ, ১০০টি স্মার্ট টেলিভিশন, ৪৫০ কিলোভোল্টের দুটি জেনারেটর, হোটেলের স্টোরে রাখা বিভিন্ন প্রকার মালামাল, আসবাবপত্র, এক হাজার কিলোভোল্টের ট্রান্সফরমারসহ সাবস্টেশন, প্রেসার পাম্প, সাইবার স্টেশন, ফায়ার ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে গানপাউডার ও পেট্রোল দিয়ে হোটেলের ১ম তলা থেকে ১৬ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ওই হোটেলে থাকা একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকসহ ২৪ জন দগ্ধ হয়ে মারা যান। নিহতদের মধ্যে হোটেল স্টাফ ও বোর্ডার ছিলেন।
হোটেলের আলমারিতে রাখা তাঁর ভাইয়ের বিভিন্ন কোম্পানির মূল্যবান কাগজপত্র, আসবাবপত্র, স্টোরে রাখা বিভিন্ন মালামাল, যাবতীয় ইলেকট্রিক সামগ্রী, তিনটি লিফট, জানালার গ্রিল ও গ্লাস দরজার যাবতীয় ডেকোরেশন পুড়ে ভস্মীভূত হয়। এ ছাড়া মূল ইমারতের ব্যাপক ক্ষতি হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব ছিল না। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের চাচাতো ভাই ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
এ মামলার দীর্ঘ তদন্তকালে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে বিভিন্ন সময়ে সাতজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমান না পাওয়ায় ওই সাতজনের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd