
আহবান নিউজ :
যশোরে পৃথক মামলায় বিভিন্ন অপরাধে আটক চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল পৃথক মামলার শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড এলাকার সাদিক, শংকরপুর চোপদারপাড়া এলাকার সোহাগ, সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের শাকিব হোসেন এবং বাঘারপাড়া উপজেলার আরজী বাসুয়াড়ী গ্রামের কাজী আরমান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদক সেবন ও জুয়া খেলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাদিক প্রায়ই মায়ের কাছে টাকা চাইতেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর টাকা না দেওয়ায় মাকে গালিগালাজ ও মারধর এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে তাঁর মা ফাতেমা খাতুন থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ সাদিককে আটক করে আদালতে পাঠায়। শুনানিতে দোষ স্বীকার করায় আদালত তাঁকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অন্যদিকে, কোতোয়ালি থানা-পুলিশ শংকরপুর মুরগির ফার্ম রেলগেট এলাকা থেকে সোহাগকে আটক করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। মামলায় দোষ স্বীকার করায় আদালত তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
যশোর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রোববার ভোরে চাঁচড়া-ধর্মতলা সড়কের ইয়াকুবের চায়ের দোকান এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিব হোসেনকে আটক করে। পুলিশ জানায়, তাঁর কাছ থেকে আটটি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। পরে মামলার শুনানি শেষে আদালত তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা সনু বেপারির সামনের বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাজী আরমানকে আটক করেন। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় ধাওয়া করে তাঁকে আটক করা হয় এবং তাঁর কাছ থেকে দুটি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় দোষ স্বীকার করায় আদালত তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।