তিনি আরো বলেন, রোড সেফটি ২০২১-২০৩০ দশকব্যাপী বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর গতিনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনাপরবর্তী জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তায় মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত, অনুমোদন ও প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
জাতিসংঘের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম।
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শাব্বির হাসান খান।
সেখানে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সফল বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও উত্তম চর্চা নিয়ে আলোচনা হবে।