• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার ৩ মাদক কারবারি আটক ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে ল্যাব টেকনোলজিস্ট গ্রেপ্তার কেশবপুরে একই স্থানে দুই দফা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ৩ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৩ বোতল বিদেশি মদ জব্দ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা: যশোর-৪ আসনের এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলা-ভাঙচুরের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ যশোরে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ব্রোঞ্জ জিতে যশোরের মুখ উজ্জ্বল করল ইফাজ কবির রাদ যশোরে ৭ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর এমপি গোলাম রসুল উদ্ধার, জামায়াতের বিক্ষোভ যশোরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজাসহ ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

হারানো দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে ডাঃ মুক্তাদির চক্ষু হাসপাতালের স্থান শীর্ষে

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

দিলীপ কুমার দাস বিভাগীয় প্রধান:

ডাঃ মুক্তাদির চক্ষু হাসপাতাল ময়মনসিংহ জেলাধীন গৌরীপুর উপজেলার ৬ নং বোকাইনগর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার জন্ম গ্রহণ করেন। অধ্যাপক ডা. এ কে এম মুক্‌তাদির হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর অবস্থান ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। ইহার নৈসর্গিক পরিবেশে সেবা নিতে আসেন দূর-দূরান্তের মানুষ।

২০০৪ সালে এ গ্রামেই পাঁচ একর জমিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় হাসপাতালটি। আধুনিক ও উন্নতমানের চক্ষু চিকিৎসাসেবার কারণে সুনাম কুড়িয়েছে হাসপাতালটি। ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা এলাকার চক্ষুরোগীদের জন্য এটি এখন এক নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল।

এ তখন একটি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কথা ভাবতে শুরু করেন ডা. মুক্‌তাদির। তার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসেন তার স্ত্রী গাইনি চিকিৎসক মাহমুদা খাতুন। নিজের পেনশনের সব অর্থ তুলে দেন স্বামীর হাতে। ২০০৪ সালে পাঁচ একর জমিতে ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন ডা. মুক্‌তাদির। বর্তমানে এটি ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। স্ত্রীর পাশাপাশি তার এ মহতী কাজে যুক্ত হয়েছেন তাদের চিকিৎসক সন্তানরাও।

ডা. মুক্‌তাদির বলেন, চোখ শুধু দেখার অঙ্গ নয়,বরং এটি আমাদের অন্তর্জগতের প্রতিচ্ছবি
গ্রামের মানুষের সামর্থ্য নেই দূরে গিয়ে চিকিৎসা করানোর। তাই মানুষকে আধুনিক সেবা পৌঁছে দিতে প্রত্যন্ত গ্রামে তিনি হাসপাতাল গড়েছেন। ভালো সেবার জন্য এ দেশের রোগীরা ভারতে ছুটে যায়। বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করে ভালো সেবা পেলে যে মানুষ প্রত্যন্ত গ্রামেও ছুটে যায়, সেই নজির তার হাসপাতাল সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এই হাসপাতালের কার্যক্রমে গর্বিত।

উল্লেখ্য, ডাঃ একেএমএ মুক্তাদির শুধু আমাদের গৌরীপুরই নয় সারা বাংলার খ্যাতি অর্জনকারী স্বনামধন্য চক্ষু চিকিৎসক হিসেবে জীবনে বহু গুণের অধিকারী তিনি। তিনি তাঁর কর্ম দক্ষতার
বিনিময়ে বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর বহু দেশের রাষ্ট্র প্রধানগণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মান স্মারক সহ আরো মুল্যবান পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছে। তিনি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, গীটার বাধক হিসেবে একাধিক সম্মাননা লাভ করেন। তাঁর কৃতজ্ঞা গৌরীপুর বাসী ও দেশের মানুষ আজীবন হৃদয়ে ধারণ করে রাখবে। এই মনোজ্ঞমনা ব্যক্তির জন্য সম্ভব হয়েছে পল্লীতে এমন মনোরম পরিবেশে
দৃষ্টি নন্দন চক্ষু হাসপাতাল সহ আধুনিক যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd