• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার ৩ মাদক কারবারি আটক ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে ল্যাব টেকনোলজিস্ট গ্রেপ্তার কেশবপুরে একই স্থানে দুই দফা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ৩ বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৩ বোতল বিদেশি মদ জব্দ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা: যশোর-৪ আসনের এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলা-ভাঙচুরের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ যশোরে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ব্রোঞ্জ জিতে যশোরের মুখ উজ্জ্বল করল ইফাজ কবির রাদ যশোরে ৭ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর এমপি গোলাম রসুল উদ্ধার, জামায়াতের বিক্ষোভ যশোরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজাসহ ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

বেনাপোল বন্দরে জালিয়াতি: ৬ কোটি টাকার জব্দ ভারতীয় পণ্য উধাও

Reporter Name / ৬৪ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

আহবান নিউজ :

বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্তৃক জব্দ করা প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দকৃত ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী সরিয়ে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় পণ্য রাখা হয়েছে।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ যশোরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স ভারত থেকে একটি চালান আমদানি করে। আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে বেকিং পাউডার ঘোষণা করা হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে চালানটি জব্দ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়।
পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২ জুন পুনরায় চালানটি পরীক্ষা করে কাস্টমস কর্মকর্তারা দেখতে পান, জব্দ করা ভারতীয় পণ্যের পরিবর্তে সেখানে দেশীয় নিম্নমানের পণ্য রাখা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে বন্দরে তোলপাড় শুরু হয়।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পণ্যের কার্টনে বিভিন্ন দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে। এছাড়া দেশীয় সংবাদপত্র ও কুরিয়ার সার্ভিসের আলামতও মিলেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, জব্দকৃত পণ্য সরিয়ে দেশের অভ্যন্তর থেকে অন্য পণ্য এনে সেখানে রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর কাস্টমস হাউস ক্ষতিগ্রস্ত রাজস্ব বাবদ ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকা পরিশোধের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে চরমপত্র দিয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শেড ইনচার্জকে প্রত্যাহার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়। পরে জব্দকৃত পণ্য সরিয়ে প্রমাণ নষ্টেরও চেষ্টা হয়েছে। পুরো ঘটনায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd