• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোর চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  যশোরের ঝিকরগাছায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধ কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা আটক এক সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে:  যশোরে যুবদলের সমাবেশে নয়ন যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন যশোরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৫১ সদস্য যবিপ্রবিতে কনিষ্ঠ শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত যবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত ৯ বছর আগে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ গ্রেপ্তার

যশোর সদর এসিল্যান্ড অফিসের নামজারি সহকারী শারমিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

Reporter Name / ৮৩ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

আহবান নিউজ :

যশোর সদর ভূমি অফিসের নামজারি ও সার্টিফিকেট সহকারী শারমিন সুলতানা-এর বিরুদ্ধে ফাইল আটকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নামজারি সংক্রান্ত ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অর্থ দাবি করা হয়। অর্থ না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, ইউনিয়ন বা পৌর ভূমি অফিস থেকে রিপোর্টসহ নামজারির ফাইল সদর এসিল্যান্ড অফিসে পৌঁছানোর পর তা মিউটেশন শাখায় আটকে রাখা হয়। পরে দালালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করলে ফাইল দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর টেবিলে পাঠানো হয়। অন্যথায় শুনানি, কাগজপত্রের ত্রুটি বা অন্যান্য অজুহাতে সেবাগ্রহীতাদের দিনের পর দিন ঘুরতে হয় বলে অভিযোগ করেন অনেকে।

সেবাগ্রহীতাদের একাংশ জানান, বর্তমান সদর এসিল্যান্ড শামিম হোসেন একজন সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তা। তার টেবিলে ফাইল গেলে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। তবে মিউটেশন শাখায় ফাইল আটকে থাকায় অনেক বিষয়ে তিনি অবগত হতে পারেন না। এতে পুরো অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে রাজনৈতিক কোঠায় চাকরিতে যোগ দেন শারমিন সুলতানা। চাকরির শুরু থেকেই তিনি সদর এসিল্যান্ড অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন একই দায়িত্বে থাকায় নামজারি সংক্রান্ত কাজে তার প্রভাব তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক মাসে ইছালী, লেবুতলা, হৈবতপুর, কচুয়া, পাঁচবাড়িয়া, নরেন্দ্রপুর, রামনগর ও দেয়াড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে আসা বেশ কিছু নামজারির ফাইল আটকে রেখে ৩ হাজার থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার স্বামী সোহাগ হোসেন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসিল্যান্ড অফিসের সামনের একটি দোকানঘর ব্যবহার করে নামজারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনারও অভিযোগ রয়েছে।

একাধিক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ফাইল প্রতি অর্থ দিলে কাজ দ্রুত হয়, না দিলে নানা জটিলতা তৈরি করা হয়। অনেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাও দাবি করেছেন, শারমিনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শারমিন সুলতানা বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। প্রতিটি ফাইল যাচাই-বাছাই করেই ছাড়তে হয়। ফাইল আটকে রেখে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সঠিক নয়।”

এ বিষয়ে সদর এসিল্যান্ড শামিম হোসেন বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, অভিযুক্ত যেই হোক না কেন।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd