• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতায় যুক্তদের নিয়ে যশোরে ‘টিচার্স জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ গঠন: ইলিয়াস আহ্বায়ক, সোহেল সদস্য সচিব ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এসএসসি- ৯৫ ও এইচএসসি-৯৭ ব্যাচের ঈদ আড্ডা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং করণীয়: বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত” শীর্ষক ওয়েবিনার আয়োজন যশোরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত যশোরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক শেখ আব্দুল্লাহ হুসাইনের ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাব যশোরের শোক নদীতে গোসল করতে নেমে চৌগাছায় শিশুর মৃত্যু মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও পুনরুদ্ধারের দাবিতে স্মারকলিপি ও পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ সাংবাদিক সুনীল ঘোষের মাতৃবিয়োগে জেইউজের শোক

রঙ ভিন্ন হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক আফিয়া ও তার মায়ের পাশে মাতৃসেবা হাসপাতাল

Reporter Name / ২১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

আহবান নিউজ :
সন্তানের গায়ের রঙ ভিন্ন হওয়ায় স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত মনিরা খাতুন এবং তার শিশু কন্যা আফিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে যশোরের একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার দুপুরে যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ায় শিশুটির বাড়িতে গিয়ে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন মাতৃসেবা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল ইসলাম।
গত ১০ নভেম্বর দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিশু আফিয়া ও তার মায়ের করুণ কাহিনী প্রকাশিত হওয়ার পর সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকেই মনিরা খাতুনের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণের পাশাপাশি শিশু আফিয়ার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া চাঁদপাড়া গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে বাজুয়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার শহিদ মোল্লার মেয়ে মনিরা খাতুনের বিয়ে হয়। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর মনিরা খাতুন শহরের মাতৃসেবা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। শিশুটি আর পাঁচটা সাধারণ বাচ্চার মতো না হওয়ায় স্বামী মোজাফফর স্ত্রী ও মেয়েকে ত্যাগ করে প্রবাসে চলে যান এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মনিরা খাতুনকে তালাক দেন।
নির্যাতিতা মা মনিরা খাতুন জানান, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর তার স্বামী বিদেশ থেকে তাকে হুমকি দিচ্ছেন এবং তার নামে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন এবং পুলিশ সুপারের (এসপি) সাথে দেখা করেছেন। পুলিশ সুপার রওনক জাহান তাকে সার্বিক আইনি সহায়তা এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার মেয়ের পরিচয় শনাক্ত করতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
মাতৃসেবা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল ইসলাম জানান, শিশু আফিয়া তার প্রতিষ্ঠানেই জন্মগ্রহণ করেছিল। গণমাধ্যমের খবরে তাদের দুর্দশার কথা জানতে পেরে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই সহায়তা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd