
নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নোমান আশরাফ এবং সাধারণ সম্পাদক (সম্মানসূচক) হয়েছেন মোহাম্মদ হামদান।
প্রথমে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা থাকলেও ক্যাম্পাসের বাস্তবতা বিবেচনায় সহসভাপতি পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন নাশরা। তার বাবা শুরুতে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত পরিবার তাকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে।
২০১৯ সালে ক্যাম্পাসে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ দেখিয়ে ছাত্র সংসদ স্থগিত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সম্প্রতি ছাত্র সংসদ পুনর্বহালের দাবিতে ১৯ দিনের আন্দোলন ও এক শিক্ষার্থীর অনশন কর্মসূচির পর নির্বাচনের পথ খুলে যায়। গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ভোটগ্রহণ।
নির্বাচনি প্রচারে শিক্ষাক্রম আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য উন্মুক্ত পরিসর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন নাশরা। তার মতে, শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং বিধিনিষেধের প্রভাব বুঝতে রাজনৈতিক সচেতনতার বিকল্প নেই।
ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি ও নির্বাচনি পরিবেশ পুনরুজ্জীবিত হলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্বের ঘাটতি রয়েছে। ছাত্র সংসদের পুনরুজ্জীবন সেই শূন্যতা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।