প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৯, ২০২৬, ৮:০৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৫, ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার
আহবান নিউজ :
যশোর বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করা হলে আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, নিহত ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল পোর্ট থানার গাতিপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে মা ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার তিন দিন আগে তার স্ত্রী তাসলীমা খাতুন মেয়েকে নিয়ে খুলনায় বেড়াতে যান। গত ২২ এপ্রিল বিকেলে তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রহমতপুর এলাকায় আসামি রানার বাড়িতে যায়। সেখানে মামলার মূল আসামি আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানা তাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
পরে নিহতের মরদেহ মোটরসাইকেলে করে বেনাপোল-পুটখালী সড়কের চারা বটতলা এলাকায় ফেলে রাখা হয়। পরদিন নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পরে পিবিআই যশোর তদন্তভার গ্রহণ করে।
তদন্তের একপর্যায়ে গত ২৭ এপ্রিল তরিকুল ইসলাম ও সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে তরিকুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিবিআই জানতে পারে মামলার অন্যতম আসামি সোহেল রানা শার্শার গোগা এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পিবিআই যশোরের একটি দল অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পলাতক আসামি আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২৫ মে) আসামিকে যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪র্থ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত তদারকি করছেন পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. কামরুজ্জামান। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই রতন মিয়া।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫